• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
আমাদের মোহিত কামাল ভাই জেলা পরিষদের প্রশাসক-চেয়ারম্যানদের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল নিশ্চিতে ডিসিদের নির্দেশ পাবনায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমাসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব এককভাবে কারও নয়: রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় ইসি: ইসি সচিব প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানেই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা: প্রতিমন্ত্রী জুলাইয়ে রেকর্ড বৃষ্টির পর আগস্টে তাপপ্রবাহ ও বন্যার ঝুঁকি খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক-অপরাধ থেকে দূরে থাকবে তরুণরা: ত্রাণমন্ত্রী ওজন কমাতে কোন ব্যায়ামে মিলবে বেশি উপকার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় ইসি: ইসি সচিব

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো নির্বাচন কমিশন (ইসি) সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা পায়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ রেখেছিল ইসি।

তিনি বলেন, এখন যেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমাদের কাছে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নাই। ফলে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন হতে পারে বা নাও হতে পারে।

সোমবার (৩ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আইন সংশোধন নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সুপারিশগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। আইনের মালিকানা স্থানীয় সরকার বিভাগের। আমাদের দুইজন নির্বাচন কমিশনার দেশের বাইরে আছেন। তাঁরা আসার পরই এটা পাঠাব।

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব কিনা —এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখের মধ্যে সাধারণত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। এ ছাড়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় ৩ মাসের একটি ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন বা প্রস্তুতি সময় প্রয়োজন হয়। তারপর তো বিভিন্ন সময়ের কথা আসছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের কথা বলা হয়েছে, আবার ডিসেম্বরের কথা শুনেছি। সুস্পষ্ট কোনো তথ্য না থাকায় এ বিষয়ে আমার না বলা ভালো।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি— এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, আমার জানা মতে সে রকম যোগাযোগ হয়নি। তবে, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, তাতে কোনো ধীরগতি নেই।

তিনি বলেন, প্রস্তুতির তিনটা পার্ট— একটা হচ্ছে বিধিমালা ও আইন সম্পর্কিত, দ্বিতীয় ইকুইপমেন্ট রিলেটেড, আর তৃতীয় হচ্ছে ট্রেনিং। আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করেছি। ইকুইপমেন্ট আমাদের আছে, ভোট কেন্দ্র আছে। এরপর লাগে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ। টিওটি মডেলে মাস্টার ট্রেইনার ডেভেলপ করে কাজ করব। আমাদের প্রস্তুতি চলমান।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সংলাপের বিষয়ে ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিধিমালা নিয়ে তাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। বাড়তি কোনো সংলাপের বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতসহ ৩৮ দল

বিএনপির, জামায়াতসহ ৩৮টি দল বিগত পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এবং ৮টি দল সাড়া দেয়নি। আইন অনুযায়ী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বিগত পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়।

বিষয়টি উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, যেহেতু ওইদিন শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে একটি স্থগিত আছে (আওয়ামী লীগ)। বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঠিক হয়নি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, এখনো নির্বাচনের তফসিল ঠিক হয়নি। আমরা ভোটার তালিকা পাঠানোর জন্য সংসদ সচিবালয়কে অনুরোধ করেছি। সেটি এখনো পর্যন্ত পায়নি। ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে চর্চা হবে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসি পাঠানোর জন্য ফাইল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দপ্তরে গত সপ্তাহের শেষের দিকে পাঠানো হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সোমবার দুপুর আড়াইটা) ফাইলটি অনুমোদিত হয়নি। অনুমোদন পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসি সচিবালয়ে পাঠাবে সংসদ সচিবালয় থেকে।

গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, এনআইডি নিয়ে কমিটি করা হয়েছে। কিন্তু কমিটির রিকমেন্ডেশনগুলো এখনো ক্রিস্টালাইজ করা হয়নি। ব্রড ফ্রেম অফ রেফারেন্সে আলোচনাটা করা হয়েছে। কিন্ত এসওপি-টা করা হয়নি, যে কী কী জিনিস তারা দেখবে যাতে কোনো রকমের অসংগতি না থাকে। আমি একটা পুরা ব্রিফিং দেবো সামগ্রিক বিষয় নিয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category