বৈদেশিক ঋণের বোঝায় জর্জরিত বাংলাদেশের জন্য এক নতুন আশার আলো দেখিয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণ। ইআরডির নীতিমালায় উঠে এসেছে যে, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে শুধু মার্কিন ডলারে read more
রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রীই কেবল ‘ফার্স্ট লেডি’—বইয়ের পাতার এই পুরোনো সংজ্ঞাকে যেন বাস্তবতার নিরিখে নতুন করে লিখছে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ। সাধারণত দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীদের ভূমিকা অনেকটা ছায়াসঙ্গী বা গৃহবধূর
“ঈশ্বরের দোহাই লাগে, এই কাজটি করবেন না!”—২০২৫ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে ঠিক এভাবেই বারবার সতর্ক করেছিলেন ইউনিসেফের তৎকালীন বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। কিন্তু সেই আকুতি সেদিন কেউ শোনেনি।
যে বাংলায় একদিন ‘খেলা হবে’ স্লোগান তুলে রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়েছিল, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই বাংলার ব্যালট বাক্সই চূড়ান্ত রায় দিয়ে বলে দিল—‘খেলা শেষ’। প্রায় দেড় দশক ধরে রাজ্যের
একটি দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো তার ব্যাংকিং খাত। কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে এই ব্যাংকিং খাত পরিণত হয়েছিল মুষ্টিমেয় কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত সিন্ধুকে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার,
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলই ঘটায়নি, বরং নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের এক বিশাল সুযোগও তৈরি করেছে। দেশের মানুষ যখন প্রথাগত দ্বিদলীয় রাজনীতির বাইরে একটি সুস্থ, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব
সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ হওয়া একসময় ছিল দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আর অর্জনের মাইলফলক। কিন্তু বর্তমানে এই ‘২৫ বছর’ই যেন প্রশাসন ও পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জন্য এক চরম আতঙ্কের নাম হয়ে