যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের চলমান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বিশ্বজুড়ে আরও কয়েক কোটি মানুষকে তীব্র ক্ষুধার মুখে ঠেলে দিতে পারে। ওয়াশিংটন ডিসিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের স্প্রিং read more
গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্যেই ইসরায়েলের কাছে কোটি কোটি ডলার মূল্যের প্রাণঘাতী অস্ত্র ও সশস্ত্র বুলডোজার বিক্রি আটকে দেওয়ার একটি উদ্যোগ মার্কিন সিনেটে ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তবে এই ভোটাভুটির
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন নতুন এক ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। দক্ষিণ লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি রণপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। মঙ্গলবার জেনারেল স্টাফ
ইসরায়েলি কারাগারগুলোতে আটক ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর অমানবিক ও বীভৎস নির্যাতনের যে চিত্র বেরিয়ে আসছে, তা চরম মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইসরায়েলি সামরিক ও বিচার বিভাগের ছত্রছায়ায় ফিলিস্তিনি বন্দীদের
গাজা উপত্যকায় তথাকথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ। আন্তর্জাতিক মহলে যখন যুদ্ধবিরতি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই গাজার বিভিন্ন স্থানে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়ে এক
ভূ-রাজনৈতিকভাবে বিশ্বের অন্যতম স্পর্শকাতর জলপথ হরমুজ প্রণালিতে এবার রহস্যজনকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন। ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ (MQ-4C Triton) মডেলের এই ড্রোনটির বাজারমূল্য প্রায় ২৪ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র
টানা পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে গত ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভেবেছিল,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির মধ্যে একসময়কার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্রতায় এবার প্রকাশ্যেই বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং