‘এখন ত্রিশ যার স্মার্ট হওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় তার।’ বাংলা থ্রিলারের অবিস্মরণীয় চরিত্র মাসুদ রানা। চির তরুণ- চির স্মার্ট। সমস্যা হচ্ছে, মাসুদ রানার বয়স কখনো ত্রিশ হয় না। আমাদের হয়- এবং read more
আমি ছাত্রজীবনে টিউশনি করতাম। এ আয় থেকে বই কিনতাম- সিনেমা দেখতাম- শখের জামা-জুতো কিনতাম। সুনাম থাকায় বেশ ভালো বেতনেই আমাকে অভিভাবকরা ডাকতেন। একদিন বিকেলে এক ভদ্রলোক বাসায় এলেন। পোশাক মলিন,
বছরখানেক আগে এক অপরিচিত যুবক আমার সাথে দেখা করতে এলো। নাম ফয়সাল। খুব স্মার্ট, ধোপদুরস্ত। আমি চোখে প্রশ্ন নিয়ে তার দিকে তাকালাম। সে বলল-‘ ভাই, আমি খুব দুঃসাহসী একটি কাজ
শিশু ও নারী নির্যা*তন নিয়ে দেশের সবাই চিন্তিত। এটি সরকারেরও মাথাব্যথার কারণ। কয়েকদিন ধরে চিন্তা করছিলাম- সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে এর বিরুদ্ধে কিছু করা যায় কিনা? মোটিভেশনাল কথাবার্তা দিয়ে এসব
বেগম রুনু সিদ্দিকী ছিলেন আমার আম্মার ছোট খালা। আমরা ডাকতাম রুনু নানু। খুব বিদুষী ও অভিজাত মহিলা ছিলেন। খ্যাতি এবং শ্রদ্ধাও অর্জন করেছিলেন বিস্তর। তাঁকে চট্টগ্রামবাসীরা ‘আলোকিত নারী’ উপাধি দিয়েছিলেন।
পঁয়ত্রিশ বছর চাকরি করে তিনি অবসরে গেলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের সমাপ্তিতে মন খারাপ হলেও তিনি তৃপ্ত। পেশাজীবনে চরম সাফল্য পেয়েছেন-সর্বোচ্চ পদে গেছেন। তৃপ্তির আরেক কারণ হলো, তিনি কখনো কাজে ফাঁকি দেননি।
আমার এক ছোটো বোন আছে। নাম শর্মি। নারীদের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। উত্তর আমেরিকার একটি কোম্পানিতে এ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। কয়েকদিন আগে সে আমাকে বলল- ‘দাদা,
আমি মাঝে মাঝে আমার লেখাগুলো ফাইনাল করার পর চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে সেগুলোর বানান ও স্পেস চেক করি। এটি যে একটি খুব অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করে তা জানতাম না। একজন বন্ধু জানালেন,