নির্মাণকাজের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো এবং নানা জটিলতার পর অবশেষে উৎপাদনে আসার চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকারও read more
‘বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র’—নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বইয়ের মলাট, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি আর ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানের এক রোমান্টিক চিত্র। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দেশের লাখো তরুণ-তরুণীর বই পড়ার অভ্যাস
যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তির মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক স্বার্থের ভারসাম্য। সাধারণ ভাষায়, চুক্তি মানেই হলো—‘আমি বাঁচব, আপনিও বাঁচবেন’। কিন্তু দরকষাকষির হিসাব যখন এমন এক অসম জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, নিজের দেশের
এপ্রিলের তপ্ত রোদে পুড়ছে বাংলাদেশ। বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহেই তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এই ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং। শহরে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও গ্রামে বিদ্যুৎ থাকছে
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে যখন দেশের সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম, ঠিক তখনই ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে এল বাসভাড়া বৃদ্ধির নতুন ঘোষণা। বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির
চলতি বৈশাখের শুরু থেকেই যেন আকাশ থেকে আগুন ঝরছে। মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২০টি জেলার জনজীবন রীতিমতো ওষ্ঠাগত। আর প্রকৃতির এই রুদ্ররোষের সাথে পাল্লা দিয়ে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে শুরু করে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর চিত্র এখন অনেকটাই এক। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, চালকদের চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ আর দীর্ঘ অপেক্ষার পর ‘তেল নেই’ বা ‘সামান্য
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তিন অক্ষরের একটি শব্দ—‘গুপ্ত’। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে শব্দটি এখন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদের ফ্লোর পর্যন্ত উত্তাপ ছড়াচ্ছে। চব্বিশের