বাংলাদেশে শিশুদের সুরক্ষায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবকের মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগছে—যেসব শিশু ইতোমধ্যেই এই টিকার দুটি ডোজ নিয়ে ফেলেছে, তাদের কেন আবারও read more
দেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ দিনে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণশীলতা এবং
বুক জ্বালা, টক ঢেকুর, বমিভাব কিংবা অল্প খেলেই পেট ভরা মনে হওয়া—অ্যাসিডিটির এই লক্ষণগুলো আমাদের অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বা ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে এই সমস্যা প্রকট হয়। তবে হাতের নাগালে
তীব্র গরমে ঘাম ও জীবাণুর সংক্রমণে ত্বকের চুলকানি একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই সাময়িক আরামের জন্য পাউডার ব্যবহার করলেও এটি স্থায়ী সমাধান দেয় না। তবে রান্নাঘর বা হাতের কাছে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে হাসপাতালে তাদের অবস্থানের সময়কাল। চিকিৎসকদের মতে, যেসব শিশু আগে থেকেই অপুষ্টি বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগে (যেমন:
দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে হাম। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য
আজ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’। এ বছর দিবসটির বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে: “Together for health. Stand with science”। এরই সাথে সংগতি