• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের ‘সরকার জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যাচার করছে’: সংসদে রুমিন ফারহানা কিউবার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একজোট মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল ইসরায়েলের অকুণ্ঠ প্রশংসায় ট্রাম্প, ঘনাচ্ছে নতুন বিতর্ক ‘ইরানকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’: পেজেশকিয়ান

কুমিল্লায় ২০ কার্টন সৌদি খেজুর উধাও: কর্তৃপক্ষের দাবি ‘তথ্যগত ভুল’

Reporter Name / ৭০ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের উপহার হিসেবে আসা খেজুরের ২০ কার্টনের হিসাব মিলছে না কুমিল্লায়। সরকারি নথিতে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে বিতরণ করা হয়েছে ৫০০ কার্টন। এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

অসামঞ্জস্যের প্রেক্ষাপট: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে মোট ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে, যার মধ্যে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ ছিল। গত ১ মার্চ জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে খেজুরগুলো পাঠানো হয়। তবে ৮ মার্চ কুমিল্লায় বিতরণের সময় দেখা যায়, মাত্র ৫০০ কার্টন বিতরণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি দেবিদ্বার আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক লাইভে দেবিদ্বার উপজেলায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার তথ্য প্রকাশের পর এই অসামঞ্জস্যের বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী জানান, তাদের কাছে ৫০০ কার্টনই পৌঁছেছিল এবং সেটিই বিতরণ করা হয়েছে। তার দাবি, বরাদ্দের সংখ্যা সংশোধন করে ৫০০ কার্টন করা হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের তথ্যই রয়ে গেছে।

ঘটনাটির বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (সার্বিক) সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category