• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
Headline
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা কর্মসূচি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে সমর্থন আরব জোটের, কোণঠাসা নেতানিয়াহু ৩০ বিলিয়নের নিচে রিজার্ভ, তবু মেটানো যাবে ৫ মাসের আমদানি ব্যয় গডফাদার ১ হাজারের বেশি: কোটি মাদক জব্দের পরও বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে ৮৫ শতাংশ ৩ বছর পরপর হালনাগাদ হবে সরকারি নির্মাণের দর, ৬ মাসে ডিজিটাল ব্যবস্থা ৩ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার, রেমিট্যান্সেও কাটছে না চাপ ঝুলে আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার আবেদন: এনআইডি সংশোধনের নামে সক্রিয় ভয়ংকর চক্র বিপ্লব ও সংহতি দিবস : জিয়া জাতির নির্ভরতার মহান কাণ্ডারী রাজধানীর ৫৭ ওয়ার্ডের ১৪ শতাংশ বাড়িতে লার্ভা: ডেঙ্গু ঝুঁকিতে ২৯টি ঘুড়ির নাটাই আপনার হাতে

ঝুলে আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার আবেদন: এনআইডি সংশোধনের নামে সক্রিয় ভয়ংকর চক্র

Reporter Name / ৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এখন এক কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে। নানামুখী সংকটে কমিশনে ঝুলে আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪টি আবেদন। বছরের পর বছর ধরে এসব আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। একই সঙ্গে এনআইডি সংশোধনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভয়ংকর চক্র, যারা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে নানা গ্রুপ খুলে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। নাগরিকের পরিচয়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে এই জালিয়াতি এখন শুধু প্রশাসনিক জটিলতা নয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক আস্থার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, ৩ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে ছয়টি ক্যাটাগরির মোট ৬৬ লাখ ১২ হাজার ৪৩৩টি সংশোধন আবেদন এসেছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৬৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৯টি। আর ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪টি আবেদন ঝুলে আছে। এসব আবেদনের প্রায় ৯২ শতাংশই চলতি বছরের। অর্থাৎ ঝুলে থাকা আবেদনের বড় অংশই জমা পড়েছে এ বছরের প্রথম দশ মাসে। উদ্বেগের বিষয় হলো, ঝুলে থাকা আবেদনের সংখ্যা কমার বদলে বাড়ছে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৬, নভেম্বরের শুরুতে তা বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪-এ পৌঁছেছে। প্রতি মাসে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ায় কমিশনের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

নির্বাচন কমিশন এনআইডি সংশোধনের আবেদনগুলোকে মোট ছয়টি ভাগে ভাগ করেছে, ক, ক-১, খ, খ-১, গ ও ঘ। এর মধ্যে ক ক্যাটাগরিতে নামের বানান বা ছোটখাটো ভুল ঠিক করা হয়। খ ক্যাটাগরিতে থাকে ছবি, স্বাক্ষর বা অন্যান্য তথ্য পরিবর্তনের বিষয়। গ ক্যাটাগরিতে নাম কিংবা বাবা-মায়ের নামের বড় কোনো পরিবর্তন করা হয়। আর ঘ ক্যাটাগরিতে জন্ম তারিখ, বয়স, বাবা-মায়ের নামের তথ্য সংশোধন করা হয়। এ ছাড়া ক-১ ও খ-১ ক্যাটাগরিতে ছোটখাটো বানান বা ভুল সংশোধনের কাজ করা হয়। এই ভাগগুলোর মধ্যে ঘ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তি করা সবচেয়ে কঠিন, কারণ এ ক্ষেত্রে ইসির এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালকের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়ে।

বর্তমানে অনিষ্পন্ন আবেদনগুলোর মধ্যে ঘ ক্যাটাগরির পরেই সবচেয়ে বেশি আবেদন ঝুলে আছে খ ক্যাটাগরিতে। মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪টি অনিষ্পন্ন আবেদনের মধ্যে ৭৩ হাজার ৩৭২টিই ঘ ক্যাটাগরির। এরপর খ ক্যাটাগরিতে অনিষ্পন্ন আবেদন জমে আছে ২১ হাজার ৩২৮টি। ক ক্যাটাগরির ১৯ হাজার ৪৪টি, গ ক্যাটাগরির ১৬ হাজার ৮১৫টি, খ-১ ক্যাটাগরির ৪ হাজার ৬০৭টি এবং ক-১ ক্যাটাগরির ১ হাজার ৪৭৮টি আবেদন ঝুলে আছে। ভৌগোলিক হিসাবে ঘ ক্যাটাগরির ঝুলে থাকা আবেদনের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা অঞ্চল, সেখানে ১০ হাজার ৬১৫টি আবেদন আটকে আছে। এরপরই রয়েছে কুমিল্লা অঞ্চল, সেখানে ঝুলে আছে ১০ হাজার ৫৫৯টি আবেদন।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নাগরিকের ভুল, ভুয়া কাগজপত্র, তথ্যের গরমিল, একাধিক জন্মনিবন্ধন সনদ, বাস্তবতার সঙ্গে সংশোধন চাওয়া তথ্যের মিল না থাকা, গলা কাটা পাসপোর্ট, প্রবাসীদের অসম বয়স সংশোধনের আবেদন, পাসপোর্ট সংশোধন করে বিদেশে যাওয়া এবং দত্তক গ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার কারণেই অধিকাংশ এনআইডির সংশোধন আবেদন ঝুলে আছে। এসব জটিলতা নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। কর্মকর্তাদের মতে, অনেক আবেদনে এমন সব তথ্য সংশোধন চাওয়া হয়, যা বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। ফলে যাচাই-বাছাই ছাড়া সেগুলো অনুমোদন করা সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে এনআইডি শাখার একজন পরিচালক বলেন, নানামুখী জটিলতার কারণেই এনআইডি সংশোধন ঝুলে আছে। প্রতিটি আবেদনের পেছনেই আলাদা গল্প থাকে। নাগরিকরা যে বয়স সংশোধন চায়, সেক্ষেত্রে অনেকের পারিবারিক ও ওয়ারিশ সনদে দেখা যায় এক ভাই-বোন থেকে অন্য একজনের জন্মগ্রহণের বা জন্ম তারিখের পার্থক্য ছয়-সাত মাস। আবার যে বয়স সংশোধন চায়, সেই অনুযায়ী তার ভোটার হওয়ার বয়স হয় ৭ বা ৮ বছর। এমন আবেদন অনুমোদন করলে ভোটার তালিকায় শিশুদের নাম উঠে যাওয়ার মতো অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাই ইচ্ছা থাকলেও এসব আবেদন অনুমোদন করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, এসব আবেদনের অনেক আবেদনকারী তাদের তথ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন চায়। এর মধ্যে অধিকাংশের অসৎ উদ্দেশ্য থাকে। আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দ্রুত নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করছি। আবার অনেকেই এনআইডির নাম পরিবর্তন করে জমি দখল বা ঋণ নিচ্ছেন জালিয়াতি করে। অর্থাৎ একটি ভুয়া পরিচয় তৈরি করে অন্যের সম্পত্তি দখল কিংবা ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এই কারণে কমিশনকে প্রতিটি আবেদন খুঁটিয়ে দেখতে হচ্ছে, আর তাতেই সময় লাগছে।

এদিকে এনআইডি সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভয়ংকর চক্র দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এই চক্র ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে নানা গ্রুপ খুলে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে এনআইডি জালিয়াতি করে অন্যের জমি দখল করারও। ইসির তথ্যভান্ডার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নাগরিকের তথ্য অবৈধভাবে বেচাকেনা হচ্ছে। গত ১৫ জানুয়ারি জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও নাগরিকের গোপনীয় তথ্য অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাগরিকের তথ্য বেচাকেনায় মাসে কোটি টাকার বেশি লেনদেন করতেন তারা।

ইসির এক কর্মকর্তা জানান, এনআইডি সার্ভারের তথ্য অনৈতিকভাবে সংশোধন ও স্থানান্তরের জন্য ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড এবং ওটিপি দেওয়া হতো একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। আর এজন্য প্রতিদিন মিলত ৫ হাজার টাকা। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের ওই চক্রটি আবার তা সরবরাহ করত বিভিন্ন কম্পিউটার কম্পোজের দোকানে। আর এভাবেই চলত রমরমা ব্যবসা। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে। অর্থাৎ ভেতরের লোকের সহযোগিতা ছাড়া এই জালিয়াতি সম্ভব হতো না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নাগরিকের তথ্য ফাঁসের চিত্র আরও ভয়াবহ বলে জানিয়েছে ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির সাইবার নিরাপত্তা বিভাগ সাইবারস্টেশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের ১৮ লাখেরও বেশি নাগরিকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে পাওয়া গেছে। দেশের ১৫টি খাতের ৭৬৭টি ডোমেইন পর্যালোচনা করে প্রায় সবকটির ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে এই সংস্থাটি। তাদের হিসাবে অন্তত ১৭ হাজার ৩৬২ জন ব্যবহারকারীর লগইন তথ্যও ডার্ক ওয়েবে পাওয়া গেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে সরকারি সেবা খাত থেকে, আর তথ্য ফাঁসের হার সবচেয়ে বেশি প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে। সংস্থাটি বলছে, এই সংখ্যা ন্যূনতম অনুমান, আসল সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

একই ধরনের উদ্বেগ উঠে এসেছে টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায়। সংস্থাটির হিসাবে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে বাংলাদেশে অন্তত ৬৮টি তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৬টি সরকারি সংস্থা আর ৩২টি বেসরকারি সংস্থার। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, বায়োমেট্রিক তথ্য, পাসপোর্টের বিবরণসহ নাগরিকের ব্যক্তিগত পরিচয়ের নানা তথ্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একবার এই তথ্য অপরাধীদের হাতে গেলে তা দিয়ে ভুয়া পরিচয় তৈরি, ব্যাংক জালিয়াতি, ঋণ নেওয়া এমনকি জমি দখলের মতো অপরাধ করা সম্ভব।

এই সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, প্রতিবেশী ভারতেও পরিচয়পত্র জালিয়াতি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে ২০১৮ সালে মাত্র ৫০০ রুপিতে আধার ডেটাবেইসের প্রবেশাধিকার বিক্রির ঘটনা ধরা পড়েছিল। ২০২৩ সালে দেশটির ৮১ কোটি ৫০ লাখ নাগরিকের তথ্য বিক্রির অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি বোম্বে হাইকোর্ট এক মামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ভুয়া প্যান কার্ড ও ভুয়া আধার দিয়ে আসল পাসপোর্ট বানিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে। এর জবাবে ভারতের ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি আধার ২ নামে নতুন কার্ড আনছে, যেখানে নাম, ঠিকানা আর পরিচয় নম্বর ছাপা থাকবে না, বরং সব তথ্য থাকবে এনক্রিপ্ট করা কিউআর কোডে। বাংলাদেশের জন্যও এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে জটিল আবেদন নিষ্পত্তির উপায় খুঁজতে নির্বাচন কমিশন উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের প্রতিটি থেকে ১০০টি করে মোট ১ হাজার সংশোধন আবেদন পর্যালোচনা করে আগামী ১৯ নভেম্বর একটি কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো জটিল সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির উপায় খুঁজে বের করা। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্ভুলভাবে কাজ করাই প্রধান লক্ষ্য। এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা জানিয়েছেন, কর্মশালার আয়োজন করা হবে, তবে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এনআইডি সংশোধনের জন্য কখনোই ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপের কোনো গ্রুপ বা দালালের দ্বারস্থ হওয়া উচিত নয়। নিজের ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি কারও সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যাবে না। আবেদন করার আগে জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত সনদসহ সব কাগজপত্রের তথ্য মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো তথ্যে গরমিল থাকলে আগে সেই কাগজ ঠিক করে তারপর আবেদন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর সন্দেহজনক কোনো প্রস্তাব পেলে তা নির্বাচন কমিশন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ইসি নাগরিকদের সেবা দিচ্ছে। অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শুধু আশ্বাসে ভরসা রাখা কঠিন, কারণ জাতীয় পরিচয়পত্র এখন ব্যাংক হিসাব খোলা, পাসপোর্ট করা, জমি কেনাবেচা, ভোট দেওয়াসহ জীবনের প্রায় প্রতিটি কাজের চাবিকাঠি। এই পরিচয়পত্রের তথ্য যখন জালিয়াতদের হাতে চলে যায়, তখন একজন নাগরিকের পুরো জীবনই ঝুঁকিতে পড়ে। তাই ১ লাখ ৩৬ হাজার আবেদন ঝুলে থাকা শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি লাখো মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আটকে থাকা অধিকারের গল্প। জালিয়াত চক্র ভেঙে আর তথ্যভান্ডার সুরক্ষিত করে দ্রুত আবেদন নিষ্পত্তি করাই এখন নির্বাচন কমিশনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category