• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
হরমুজ সংকটে মিত্রদের নীরবতায় কি খাদের কিনারে ন্যাটো? নিরাপত্তাহীনতায় ৬০ লাখ রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সরকারি পদক্ষেপে কেবলই ‘পর্যবেক্ষণ’ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ জনের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে: বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকালে প্রধানমন্ত্রী বারিশা হকের এক স্ট্যাটাসেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট নাহিদের জোড়া আঘাত: মিরপুরে পাওয়ার প্লেতেই কিউইদের চেপে ধরল বাংলাদেশ বগুড়াসহ ৭ জেলায় যুগান্তকারী ‘ই-বেইল বন্ড’ সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মেহেরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা গুরুতর আহত টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত বাসের দুই কর্মী

তালেবানের ২ শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

আফগানিস্তানের তালেবানের দুই শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে দেশটির নারী ও কিশোরীদের নানাভাবে দমন–পীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আইসিসি মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বলেছেন, আফগানিস্তানে ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে নারী ও কিশোরীদের প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা এবং দেশটির প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হাক্কানির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগের ‘যুক্তিসংগত ভিত্তি’ রয়েছে।

সেই সময় থেকে নারী ও কিশোরীদের ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২ বছরের বেশি বয়সী মেয়েদের পড়াশোনা করতে না দেয়া এবং অনেক চাকরি থেকে নারীদের বিরত রাখা।

আফগানিস্তানে পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীরা কত দূর ভ্রমণ করতে পারবে, সে বিষয়ে কড়াকড়িও আরোপ করেছে তালেবান। এমনকি জনসমক্ষে নারীদের কথা বলার বিষয়েও নির্দেশনা জারি করে তারা।

এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, আফগানিস্তানের জনগণের ওপর কিছু নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তালেবান। তবে তারা নারী ও কিশোরীদের বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং তাদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করেছে। জাতিসংঘ এসব বিধিনিষেধকে ‘লিঙ্গবৈষম্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

আইসিসির এই পদক্ষেপের জবাবে, তালেবান বলে, তারা আইসিসিকে স্বীকৃতি দেয় না। এই পরোয়ানাকে ‘একটি স্পষ্ট শত্রুতামূলক কাজ’ এবং ‘বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা’ বলে অভিহিত করেছে।

তালেবান সরকারের দাবি, তারা আফগানিস্তানের সংস্কৃতি ও ইসলামি আইন অনুযায়ী নিজস্ব ব্যাখ্যার ভিত্তিতে নারীদের অধিকারকে সম্মান করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category