• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
সড়ক দুর্ঘটনার নামে টার্গেট কিলিং জিডিপির ৫ শতাংশ চিকিৎসা খাতে ব্যয় করা হবে: মির্জা ফখরুল সরকারের কাজে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী সরকার ও জনগণের মধ্যে তথ্যের সেতুবন্ধনে পিআইডি’র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাপ্য মনে করলে সরকার সমিতিকে প্লট দেবে: গণপূর্তমন্ত্রী আলিয়া মাদ্রাসায় ফের সংঘর্ষের শঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ সবার আগে বাংলাদেশ বললেও বিএনপি ভারতকে ভয় পাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম তরুণদের মাদকে ঠেলে দিয়েছে পতিত সরকার: অর্থ উপদেষ্টা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াবেন না: জামায়াত আমির বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী

বার্ড উইল সিং টুমরো

বাদল সৈয়দ / ৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

১৯৪২ সাল।
সোভিয়েত রাষ্টপ্রধান জোসেফ স্টালিন অনেক রাতে ঘুমাতে গেছেন। তিনি খুব ক্লান্ত। সারাদিন অনেক ধকল গেছে। তাই টেলিফোনের শব্দে তিনি খুব বিরক্ত হলেন। ভ্রু কুঁচকে তিনি তা রিসিভ করলেন। ফোন করেছেন মার্শাল ঝুকভ। তাঁর ফোন অগ্রাহ্য করা যায় না। তিনি স্টালিনগ্রাদ যুদ্ধের অধিনায়ক।
জোসেফ স্টালিন জিজ্ঞেস করলেন— ‘হ্যালো, কমরেড, অ্যানি ইমার্জেন্সি?’
‘ইয়েস, কমরেড সেক্রেটারি, এখানকার অবস্থা ভালো না। আমরা অবরুদ্ধ। জার্মানদের হঠানো যাচ্ছেপুরোপুরি শীত নামলে আমার সৈনিক এবং সাধারণ মানুষ শুধু গরম কাপড়ের অভাবেই মারা যাবে।’
মার্শাল ঝুকভের কণ্ঠে তীব্র হতাশা।
স্টালিন বিশাল কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। ব্লাকআউটের গাঢ় অন্ধকারে পুরো মস্কো কুচকুচে কালো হয়ে আছে।
তিনি চোখ ফিরিয়ে টেলিফোনে মনোযোগ দিলেন, তারপর বললেন— ‘বার্ড উইল সিং টুমোরো। রাত যত অন্ধকারই হোক না কেন, কাল ভোর হবে, পাখি গান গাইবে, কমরেড মার্শাল।’
২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩— জার্মান বাহিনী সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ করল
মুক্ত হলো স্টালিনগ্রাদ।
যত অন্ধকারই হোক
ভোর হয়
পাখি গান গায়।
জীবনের সবার হতাশার মুহূর্ত আসে। আপনার সময়টা যদি খারাপ হয়, তবে-
ভয় পাবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category