• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

পুরো বিশ্বকে অশান্ত করতে ট্রাম্প একাই কি যথেষ্ট?

Reporter Name / ৭৩ Time View
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীর গতিপথ বদলে দিতে কখনো কখনো একজন মানুষের জেদ, অহংকার বা অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তই যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পৃথিবী বহু স্নায়ুযুদ্ধ, আঞ্চলিক সংঘাত এবং অর্থনৈতিক মন্দা দেখেছে। কিন্তু ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে এসে বিশ্ববাসী এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কেবল একজন ব্যক্তি—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসের মসনদে বসে তিনি এমন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং গোটা বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্ম এবং এমনকি খেলাধুলার ময়দানকেও এক অস্থিতিশীল এবং ভয়ংকর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। ‘পুরো বিশ্বকে অশান্ত করতে ট্রাম্প একাই যথেষ্ট’—কথাটি এখন আর কোনো আলংকারিক বাক্য নয়, বরং এটি সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতির সবচেয়ে রূঢ় বাস্তবতা।

২৮ ফেব্রুয়ারির কালরাত: একটি সমাপ্তির শুরু

বর্তমান এই বৈশ্বিক অরাজকতার বীজ বপন করা হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’-এর যৌথ ধ্বংসযজ্ঞে কেঁপে উঠেছিল ইরান। সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বাইরে গিয়ে এই হামলা সরাসরি আঘাত হেনেছিল ইরানের ক্ষমতার শীর্ষকেন্দ্রে। টানা ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ওই হামলায় হত্যা করা হয়। কেবল খামেনি নন, তার স্ত্রী, কন্যা, নাতি এবং ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রীও সেই ভয়াল হামলায় প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হন মোজতবা নিজে। ১৩ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে চালানো ওই হামলা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে উল্টে দেয়। একটি দেশের সর্বোচ্চ নেতাকে সপরিবারে হত্যার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনীতির সব শিষ্টাচার ও রেড লাইন অতিক্রম করে যায়। ট্রাম্প প্রশাসন একে নিজেদের ‘বিজয়’ হিসেবে দাবি করলেও, বাস্তবে এটি পুরো অঞ্চলকে এক অন্তহীন রক্তক্ষয়ী প্রতিশোধের চক্রে আটকে ফেলেছে।

ইসলামাবাদের ব্যর্থ ম্যারাথন: কূটনীতির কফিনে শেষ পেরেক

খামেনি হত্যার পর ইরানের পাল্টা আঘাত এবং লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় (যেখানে নতুন করে আরও ২৪ জনসহ মোট নিহতের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়েছে) যখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, তখন বিশ্ববাসী কিছুটা আশায় বুক বেঁধেছিল ৭ এপ্রিলের ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে। কথা ছিল, এই যুদ্ধবিরতির পথ ধরে একটি দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তি হবে। সেই লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের বিপরীতে ছিলেন ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

টানা ২১ ঘণ্টার সেই রুদ্ধদ্বার ম্যারাথন আলোচনা বিশ্ববাসীকে চূড়ান্ত হতাশায় ডুবিয়ে শেষ হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি আক্ষেপ করে জানান, তারা একটি চুক্তির থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ছিলেন। কিন্তু মার্কিন প্রতিনিধিদলের চরম জেদ, লক্ষ্য পরিবর্তন এবং নতুন অবরোধের হুমকির কারণে সেই চুক্তি আর আলোর মুখ দেখেনি। ট্রাম্প প্রশাসন এমন কিছু শর্ত বা ‘রেড লাইন’ জুড়ে দেয় যা কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব। এর মধ্যে ছিল—সব ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চিরতরে বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া এবং হিজবুল্লাহ বা হুথিদের সমর্থন দেওয়া বন্ধ করা। মজার ব্যাপার হলো, ইসলামাবাদে যখন এই স্নায়ুক্ষয়ী আলোচনা চলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তখন ফ্লোরিডায় বসে ‘আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (ইউএফসি) ম্যাচ উপভোগ করছিলেন। তিনি দম্ভভরে ঘোষণাও দেন যে, চুক্তি হোক বা না হোক, যুক্তরাষ্ট্র এমনিতেই জয়ী। একজন রাষ্ট্রনেতার এমন বেপরোয়া ও খামখেয়ালিপূর্ণ আচরণ প্রমাণ করে যে, শান্তির চেয়ে শক্তি প্রদর্শনই তার কাছে বেশি কাম্য।

হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের জুয়া: বিশ্ব অর্থনীতির শ্বাসরোধ

কূটনৈতিক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরপরই ট্রাম্প তার তূণীরের সবচেয়ে ভয়ংকর তীরটি নিক্ষেপ করেন। তিনি ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে কোনো প্রকার ‘টোল’ বা মাশুল প্রদানকারী সব জাহাজকে আটকে দেবে মার্কিন নৌবাহিনী। ইস্টার্ন টাইম সকাল ১০টা থেকে এই নৌ-অবরোধ কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয় এই সরু প্রণালি দিয়ে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, হরমুজ প্রণালির দিকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এগোলেই তাকে ধ্বংস করা হবে।

দুই পরাশক্তির এই মুখোমুখি অবস্থানের প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে পড়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে। জ্বালানি তেলের বাজার মুহূর্তে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছায়। ব্রেন্ট ক্রুডের দামও ৭ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে গিয়ে ঠেকে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর আগে যে তেলের দাম ছিল মাত্র ৭০ ডলার, তা এখন বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দার পদধ্বনি শোনাচ্ছে। ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন, জ্বালানির এই সংকট উন্নয়নশীল দেশগুলোকে পথে বসিয়ে দেবে এবং ইউরোপের শিল্প খাতকে পঙ্গু করে ফেলবে। তবুও তিনি এই জুয়া খেলছেন। সৌদি আরব দৈনিক ৭০ লাখ ব্যারেল উত্তোলনের সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের কথা বললেও, হরমুজ প্রণালির এই সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে যে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়েছে, তা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় নেই।

বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ছক এবং ২১ এপ্রিলের শঙ্কা

মার্কিন নৌ-অবরোধের পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন এখন ইরানে ‘সীমিত আকারে’ হামলার ছক কষছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ফক্স নিউজের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প সরাসরি ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টের মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এগুলো খুব সহজ লক্ষ্যবস্তু।’ আধুনিক যুদ্ধনীতিতে বেসামরিক মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক উপাদানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। আগামী ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এই সময়ের মধ্যে ইরান নতি স্বীকার না করলে ট্রাম্পের নির্দেশে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের লাখ লাখ সাধারণ মানুষের জীবনরক্ষাকারী পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে।

পোপের সাথে সংঘাত: নৈতিকতার অবক্ষয়

ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতি কেবল রাজনৈতিক অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ নেই, তা আঘাত হেনেছে বিশ্ব মানবতার নৈতিক ভিত্তিমূলেও। ইরান যদি যুদ্ধ না থামায় তবে ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে’—ট্রাম্পের এমন ভয়ংকর হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানান খ্রিষ্টান ধর্মের সর্বোচ্চ গুরু পোপ লিও চতুর্দশ। রোমান ক্যাথলিক চার্চের ইতিহাসে প্রথম এই আমেরিকান পোপ ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ এবং ‘নৈতিকতার পরিপন্থী’ বলে আখ্যা দেন।

এর জবাবে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোপকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি পোপকে ‘পররাষ্ট্রনীতির জন্য ভীষণ খারাপ’ এবং ‘পারমাণবিক ইস্যুতে দুর্বল’ বলে মন্তব্য করেন। ইতিহাসে খুব কম মার্কিন প্রেসিডেন্টই ভ্যাটিকানের সাথে এমন প্রকাশ্য ও কদর্য বাদানুবাদে জড়িয়েছেন। ট্রাম্প বুঝিয়ে দিলেন, তার এই একগুঁয়েমির পথে কোনো ধর্মগুরু বা নৈতিকতার বুলিও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।

খেলার মাঠেও রাজনীতির বিষবাষ্প

যুদ্ধের এই উন্মাদনা থেকে রক্ষা পায়নি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনও। আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইরান লড়বে ‘জি’ গ্রুপে, যেখানে তাদের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে। কিন্তু ট্রাম্প একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইরানি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বসেন। এর জেরে ইরান ফুটবল ফেডারেশন তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করে। কিন্তু ফিফা সেই লজিস্টিক পরিবর্তনের আবেদন খারিজ করে দেয়। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ফুটবলকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার কথা বললেও, ট্রাম্পের ওই একটি উসকানিমূলক মন্তব্য বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক উৎসবকে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও বিতর্কের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জনমতের ধস ও মূল্যস্ফীতির জুজু

পুরো বিশ্বকে অশান্ত করে ট্রাম্প হয়তো নিজেকে একজন ‘স্ট্রংম্যান’ হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন, কিন্তু খোদ নিজের দেশেই তিনি এখন চরম অজনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। সিবিএস ও ইউগভের সর্বশেষ জরিপে দেখা যায়, ইরান যুদ্ধে মার্কিনিদের সমর্থন কমে মাত্র ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপ বলছে, ট্রাম্পের সার্বিক জনপ্রিয়তার রেটিং ধসে গিয়ে মাত্র ৩৮ শতাংশে নেমেছে, যা তার দ্বিতীয় মেয়াদে সর্বনিম্ন।

এর মূল কারণ হলো দেশের ভেতরের অর্থনীতি। ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি হু হু করে বাড়ছে। সাধারণ আমেরিকানরা দেখছেন, বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বোমা ফেলার কারণে দেশের ভেতরে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, বিশেষ করে গ্যাসোলিনের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। ৬২ শতাংশ আমেরিকান এখন সরাসরি এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই অর্থনৈতিক চাপ ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টির জন্য এক বিশাল অশনিসংকেত।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট যে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের একটি বড় অংশের জন্যই দায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপরিণামদর্শী, ক্ষমতাদর্পী এবং একতরফা পররাষ্ট্রনীতি। একদিকে তিনি সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছেন, অন্যদিকে নৌ-অবরোধের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করেছেন। ধর্মগুরুর নৈতিক উপদেশের তোয়াক্কা না করে তিনি লাখ লাখ মানুষের সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছেন, আবার ক্রীড়াঙ্গনকেও নিজের নোংরা রাজনীতির হাতিয়ার বানাচ্ছেন।

একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান কতটা শক্তিশালী হলে পুরো বিশ্বের জন্য হুমকির কারণ হতে পারেন, ট্রাম্প তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ২১ এপ্রিলের সময়সীমা যত ঘনিয়ে আসছে, বিশ্ববাসীর উৎকণ্ঠা ততই বাড়ছে। ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত অহংকারের লড়াই এবং বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারের আগ্রাসী বাসনা শেষ পর্যন্ত মানব সভ্যতাকে কোন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড় করায়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পুরো বিশ্বকে অশান্ত করতে সত্যিই যে ট্রাম্প একাই যথেষ্ট, তা আজ আর প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না; বিশ্ববাসী এখন কেবল এই একক উন্মাদনার চরম মূল্য চোকাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category