• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Headline
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা কর্মসূচি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে সমর্থন আরব জোটের, কোণঠাসা নেতানিয়াহু ৩০ বিলিয়নের নিচে রিজার্ভ, তবু মেটানো যাবে ৫ মাসের আমদানি ব্যয় গডফাদার ১ হাজারের বেশি: কোটি মাদক জব্দের পরও বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে ৮৫ শতাংশ ৩ বছর পরপর হালনাগাদ হবে সরকারি নির্মাণের দর, ৬ মাসে ডিজিটাল ব্যবস্থা ৩ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার, রেমিট্যান্সেও কাটছে না চাপ ঝুলে আছে ১ লাখ ৩৬ হাজার আবেদন: এনআইডি সংশোধনের নামে সক্রিয় ভয়ংকর চক্র বিপ্লব ও সংহতি দিবস : জিয়া জাতির নির্ভরতার মহান কাণ্ডারী রাজধানীর ৫৭ ওয়ার্ডের ১৪ শতাংশ বাড়িতে লার্ভা: ডেঙ্গু ঝুঁকিতে ২৯টি ঘুড়ির নাটাই আপনার হাতে

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আটকে পড়া ৬ বাংলাদেশি জাহাজ পারাপারে ইরানের অনুমতি

Reporter Name / ১৭৫ Time View
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে পার হওয়ার অনুমতি পেয়েছে আটকে পড়া বাংলাদেশের ৬টি জাহাজ। বর্তমানে জাহাজগুলোকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা ও তেহরান নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশের বিবৃতির বিষয়ে ইরানের অসন্তোষ

রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদী জানান, বাংলাদেশি জাহাজগুলো ফেরত আনার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের দেওয়া বিবৃতি নিয়ে ইরানের কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। তিনি বলেন, শুধু উদ্বেগ প্রকাশ নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসনের সরাসরি নিন্দা জানানো উচিত ছিল বাংলাদেশের। তবে এই অসন্তুষ্টির বিষয়ে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ইরানের ভাই। দুর্দিনে এক ভাই আরেক ভাইয়ের পাশে থাকবে, এটাই আমরা আশা করি।”

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আমেরিকার সমালোচনা

চলমান সংঘাতকে কেবল ইরানের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহ ও ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের এই কূটনীতিক। তিনি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় যখন গঠনমূলক আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই ইসরায়েলের উসকানিতে আমেরিকা এই যুদ্ধ শুরু করে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে।

রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেন যে, যুদ্ধের নামে আমেরিকা সাধারণ জনগণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “স্কুল-কলেজের শিশুরা কি আমেরিকা বা ইসরায়েলের জন্য হুমকি ছিল? মুসলমান হওয়া কি অপরাধ?”

মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস ও জাতিসংঘের ভূমিকা

জাহানাবাদী দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা আমেরিকার ১৪টি সামরিক ঘাঁটি তেহরান সফলভাবে ধ্বংস করেছে। ইরান কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আক্রমণ করছে না, বরং ওইসব দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তবে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে মার্কিন বিমান হামলায় নারী ও শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন যে, ইরানের প্রযুক্তি ধ্বংস এবং ইউরেনিয়াম উদ্ধারের নামে আমেরিকার শুরু করা অভিযান সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পারস্য উপসাগর থেকে পালানোর পথ খুঁজছেন। পারমাণবিক হামলার হুমকিতেও ইরান ভীত নয় বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

সবশেষে, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, এসব সংস্থা এখন শক্তিশালী দেশগুলোর হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তাব পাস করতে না পারায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকে ইরান আর বিশ্বাস করে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category