• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
Headline
বারিশা হকের এক স্ট্যাটাসেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট নাহিদের জোড়া আঘাত: মিরপুরে পাওয়ার প্লেতেই কিউইদের চেপে ধরল বাংলাদেশ বগুড়াসহ ৭ জেলায় যুগান্তকারী ‘ই-বেইল বন্ড’ সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মেহেরপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা গুরুতর আহত টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত বাসের দুই কর্মী উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন নিয়ে নিজ জেলা বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধ টিকাদান: কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্কের ফাঁদে রাজধানীবাসী যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু যিশুর মূর্তি ভাঙ্গলেন ইসরাইলি সেনারা (ভিডিও)

মার্কিন বাণিজ্য তদন্তের মুখে বাংলাদেশ—লক্ষ্য এবার টেক্সটাইল ও সিমেন্ট খাত

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা সংরক্ষণবাদী বাণিজ্য নীতির কবলে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬.১৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকার কারণে এবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)-এর তদন্তের তালিকায় নাম উঠেছে বাংলাদেশের। ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(খ) ধারার অধীনে শুরু হওয়া এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো—সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ‘উদ্বৃত্ত উৎপাদন’ মার্কিন বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা।

টেক্সটাইল খাতে নগদ প্রণোদনা নিয়ে শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, বাংলাদেশ সরকার বস্ত্র ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৪৩টি খাতে যে নগদ রফতানি প্রণোদনা দেয়, তা মার্কিন বাজারের জন্য এক ধরনের ‘অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক’ চর্চা। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার স্পষ্ট করেছেন যে, অন্যান্য দেশের অতিরিক্ত সক্ষমতার বোঝা যুক্তরাষ্ট্র আর নিজের কাঁধে নেবে না। এই তদন্তের ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ওপর বিশেষ শুল্ক বা বিধিনিষেধ আসার ঝুঁকি তৈরি হলো।

সিমেন্ট খাতের ‘অতিরিক্ত সক্ষমতা’ এখন মাথাব্যথার কারণ

ইউএসটিআর-এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সিমেন্ট খাতের মন্দাকে উদাহরণ হিসেবে টানা হয়েছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের সিমেন্ট খাতের উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৪০ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে, যা ২০২৫ সালে আরও কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, এই ধরণের বিশাল ‘অতিরিক্ত সক্ষমতা’ বিশ্ববাজারে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করে, যা মার্কিন অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে।

ট্রাম্পের ‘রিইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন’ ও বাংলাদেশ

মার্কিন রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য হলো উৎপাদন খাতের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা। ফলে যারা যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদার তুলনায় বেশি পণ্য উৎপাদন করে উদ্বৃত্ত তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ ১৬টি অর্থনীতির বিরুদ্ধে এই তদন্ত মূলত বিশ্বজুড়ে মার্কিন সরবরাহ শৃঙ্খল পুনরুদ্ধারের একটি বড় পদক্ষেপ।

ইউএসটিআর (USTR) তদন্ত: বাংলাদেশের ওপর প্রভাব
তদন্তের বিষয় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও তথ্য
বাণিজ্য উদ্বৃত্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬.১৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বাণিজ্য উদ্বৃত্ত।
মূল খাত (টেক্সটাইল) রফতানি প্রণোদনা ও নগদ সহায়তাকে ‘অযৌক্তিক’ চর্চা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিমেন্ট খাত মোট সক্ষমতার মাত্র ৪০% ব্যবহৃত হচ্ছে; বিশাল উদ্বৃত্ত সক্ষমতার নিদর্শন।
তদন্তের আইন ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(খ) ধারা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category