ইসরায়েলের মেগিদ্দো কারাগারে মারওয়ান ফাতহি হারজাল্লাহ নামের এক ফিলিস্তিনি বন্দির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্যালেস্টাইন প্রিজনার্স সোসাইটির তথ্যমতে, গত ৮ জানুয়ারি ইসরায়েলি বাহিনী তাকে আটক করেছিল। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হারজাল্লাহর জীবনের ট্র্যাজেডি শুরু হয়েছিল আরও অনেক আগে। ১৯৯৫ সালে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মারাত্মক আহত হয়ে তিনি তার একটি পা হারিয়েছিলেন। তিন দশক ধরে এক পা নিয়ে বেঁচে থাকার পর, শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলি কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠেই তাকে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করতে হলো।
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি বন্দিশালাগুলোতে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযানের পর ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগার ও আটক কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ১০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু হয়েছে; হারজাল্লাহ এই দীর্ঘ মৃত্যু-তালিকারই সর্বশেষ সংযোজন। এদিকে, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শুধু হারজাল্লাহই নন, তার ছেলে তাহরির হারজাল্লাহকেও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিটেনশন’ বা প্রশাসনিক আটক নীতির আওতায় বন্দি করে রেখেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।