পাকিস্তানের ইসলামাবাদে নির্ধারিত কূটনৈতিক আলোচনা যদি কোনো ফলপ্রসূ সমাধানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রকাশ্য ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতির জন্য ওয়াশিংটন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোতে বর্তমানে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ও আধুনিকতম অস্ত্র ও গোলাবারুদ মোতায়েন করা হচ্ছে। ট্রাম্পের দাবি, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী আঘাত হানতে সক্ষম।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোতে ইরানকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছিল এবং প্রয়োজনে আবারও সেই পথেই হাঁটবে তার প্রশাসন। তিনি স্পষ্ট করে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইসলামাবাদের টেবিলে কোনো সমঝোতা না এলে এই অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্র বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবে না। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যখন পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মূলত কূটনৈতিক আলোচনার সমান্তরালে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের এই নীতি মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলছে।