• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
/ আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝেই একটি স্বস্তির খবর দিয়েছে তেহরান। কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে বাংলাদেশসহ ছয়টি বন্ধুরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিশেষ read more
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন হঠাৎ করে কোনো যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে পারে—এমন গভীর আশঙ্কা থেকে ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক অভিযান আরও ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেলআবিবের আকাশে হঠাৎ করেই দেখা মিলেছে এক অপার্থিব ও ভয়ার্ত দৃশ্যের। গত মঙ্গলবার শহরের আকাশ, বিশেষ করে বিখ্যাত আজরিয়েলি টাওয়ারের মতো সুউচ্চ ভবনগুলোর ওপর দিয়ে হাজার হাজার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবার চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে চূড়ান্ত পরাজয় মেনে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, অন্যদিকে ইরানও সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার তীব্র অঙ্গীকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যকার চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের উত্তেজনার পারদ যখন চরমে, ঠিক তখনই এক অভাবনীয় সামরিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রাঙ্গণে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই চিরবৈরী দুই রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক টেবিলে বসানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে
দক্ষিণ পারস গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং গভীর কৌশলগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তেল আবিবের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য কেবল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আমেরিকার
গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে, তার অবসানে এবার নতুন মোড় এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ শান্তি আলোচনার উদ্যোগের বিপরীতে তেহরান এবার