বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বই বিতরণের সফলতার পর এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতো দেওয়ার read more
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তিন অক্ষরের একটি শব্দ—‘গুপ্ত’। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে শব্দটি এখন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদের ফ্লোর পর্যন্ত উত্তাপ ছড়াচ্ছে। চব্বিশের
দেশের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সাধারণ কর্মবাজারের উপযোগী করে তুলতে আরও এক হাজার মাদ্রাসায় পর্যায়ক্রমে কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
সারাদেশে একযোগে উৎসবমুখর অথচ কড়া নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুরু হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় দেশের তিন হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে এই মেধা
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং দেশজুড়ে চলা কোচিং বাণিজ্য চিরতরে বন্ধ করতে সরকার নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে,
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরে ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার নিচে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ইউনেস্কো প্রকাশিত ‘বিশ্ব শিক্ষা পরিসংখ্যান’ অনুযায়ী, দেশের মাধ্যমিক স্তরের মাত্র ৫৫ শতাংশ শিক্ষকের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ