• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো লিটারে ১৭ টাকা কৃত্রিম সংকট নিরসনে নতুন সার ডিলার নীতিমালা প্রণয়ন: অ্যাটর্নি জেনারেল গুলশান বারিধারার লেকই যদি ঠিক করতে না পারি সারা দেশ কিভাবে করব: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ, সুইস নাগরিকের তথ্য চাইল ইউএই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ভোটিংয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে নেপাল খাতা মূল্যায়নে চরম খামখেয়ালি: শাস্তির খড়্গ আট হাজার শিক্ষকের ওপর

মুখস্থ করিতে বলো যে—মুখস্থ হয় না সহজে: ১০টি কৌশল

বাদল সৈয়দ / ৪ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

অনেকেই বলেন, ‘অনেক পড়ি, কিন্তু কিছু মনে থাকে না। কী করা যায়?’
প্রশ্নটি চিরন্তন—অনেকেই এ সমস্যায় ভোগেন। আমিও ভুগি। সেজন্য ব্যাপারটি ঘুরেফিরে বারবার আসে।
তাই সহজে কীভাবে মুখস্থ রাখা যায়, তা নিয়ে কিছুটা মজা করে লিখলাম।
১) কল্পনার রসগোল্লা—
যে বিষয়টি পড়ছেন, তা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এ সময় মন থাকবে শুধু পড়ার বিষয়ের দিকে—কল্পনায় রসগোল্লা খাওয়া যাবে না। এটিই মনে রাখার প্রথম ধাপ।
২) প্রেমিকার চিঠি—
যা পড়বেন, তা বারবার পড়ুন। মনে করুন, ওটা প্রেমিকার চিঠি। শুধু পড়তে ইচ্ছে করে। রসকষহীন পড়ার বিষয়কে প্রেমিকার চিঠির মতো বারবার আওড়াতে পারলে কেল্লা ফতে! জীবনেও ভুলবেন না।
৩) চিঠি লিখে যাই, কথা আর সুরে সুরে—
জগন্ময় মিত্রের মতো চিঠি লিখুন। না, প্রেমের চিঠি না- যা পড়েছেন, তা বারবার লিখুন। যে ক্লান্তিহীনতায় প্রিয়জনকে চিঠি লেখেন (বা টেক্সট করেন!) সেই একই ক্লান্তিহীনতায় পড়াটাও লিখুন। দেখবেন নিরস পড়ায় সুর ফুটবে- তা থাকবে ঠোঁটের আগায়। ভুলবেন না।
৪) আড্ডারুর আড্ডা —
পড়ার বিষয় নিয়ে আড্ডা দিন—মানে গ্রুপ করে পড়ুন। এভাবে পড়লে নিজেদের মধ্যে আলোচনা হবে, কী বুঝলেন তা নিয়ে তর্ক হবে এবং শেষ পর্যন্ত মুখস্থ করার যুদ্ধে জিতে যাবেন। কারণ একা পড়লে যা মনে থাকে না, তা দলবদ্ধভাবে আলোচনা করলে মনে থাকে। সক্রেটিসের শিষ্যরা গুরুর কাছে এভাবে আড্ডা দিতে দিতে পড়তেন, তাই না?
৫) কেকটি ভাগ করে খান —
পুরো বিষয়টি একসঙ্গে না পড়ে কেকের স্লাইসের মতো ভাগ ভাগ করে কাটুন। তারপর প্রতিটি ভাগ আলাদা আলাদা করে পড়ুন। পুরো কেক একসঙ্গে খেলে যেমন হজম হয় না, ঠিক তেমন পুরো পড়া একসঙ্গে পড়লে মুখস্থ হয় না। স্লাইস করে রসিয়ে রসিয়ে কেক খান—পড়ার স্বাদ কখনো ভুলবেন না।
৬) ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু—
যখন ক্লান্ত থাকবেন, তখন গুনগুন করবেন—‘ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু’—তারপর পড়া থেকে আপাতত ছুটি নিন। ক্লান্ত অবস্থায় পড়লে মগজ তা উগলে দেয়—মনে রাখে না।
৭) কুম্ভকর্ণ ও আইনস্টাইনের ঘুম—
আইনস্টাইন প্রতিদিন দশ ঘণ্টা ঘুমাতেন। তিনি নিজেও মনে করতেন, মস্তিষ্ক সচল রাখতে এ অভ্যাস তাঁকে খুব সাহায্য করেছে। সক্রিয় মস্তিষ্ক মানেই মনে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি। দশ ঘণ্টা না পারুন—পর্যাপ্ত ঘুমান।
৮) পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি—
ক্ষুধার্ত অবস্থায় পূর্ণিমার চাঁদকেও রুটি মনে হয়—ইচ্ছে করে লাফ দিয়ে ধরে মুখে পুরে দিতে। আর আমরা আশা করছি, খালি পেটে পড়া মনে থাকবে? কখনোই থাকবে না।
৯) রাঙিয়ে দিয়ে যাও—
কঠিন অংশগুলো মার্কার দিয়ে রাঙান। আলাদাভাবে দাগালে সেগুলোর দিকে মনোযোগ বাড়ে। আবার পরে বারবার চোখ বুলাতে সহজ হয়। তাই মার্কার দিয়ে বই রাঙিয়ে ফেলুন। রবীন্দ্রনাথ কী বলেছেন, মনে আছে?
‘রঙ যেন মোর মর্মে লাগে
আমার সকল কর্মে লাগে…’
আসলেই পড়ার বিষয় রাঙালে মর্মে লাগে—তাই ভুলবেন না।
১০) তুমি থাকো খালে—আমি থাকি ডালে—
ধাঁধাটি শুনেছেন না—
‘আমি থাকি খালে, তুমি থাকো ডালে
তোমার আমার দেখা হবে মরণের কালে।’
পড়ার সময় মোবাইলের উদ্দেশ্যে বলুন—
‘আমি থাকি খালে, তুমি থাকো ডালে
তোমার আমার দেখা হবে পড়া শেষের কালে।’
আপনি পড়বেন, আরেকটু পর পর মোবাইলে চোখ বুলাবেন, তা হয় না।
প্রেম একসঙ্গে দুজনের সাথে হয় না। ঠিক তেমনি মোবাইল ও পড়াও একসঙ্গে যায় না। চেষ্টা করলে গোল্লা খাবেন।
অতএব,
আপনি থাকুন পড়ার টেবিলে, মোবাইল থাকুক বিছানার কোলে।

#আসুন মায়া ছড়াই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category