• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

টানা বৃষ্টিতে বাজারে ভোগান্তি, কাঁচামরিচের দামে ঝাঁজ

Reporter Name / ২ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীতে টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে কাঁচাবাজারে। বাজারে যাতায়াতে যেমন ভোগান্তি বেড়েছে, তেমনি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। তবে বেশিরভাগ সবজি, মুরগি ও মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে ডিমের দাম কিছুটা বাড়লেও চালের বাজারে মিলেছে স্বস্তি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৮০ টাকা। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, টানা বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ দাম বেড়েছে।

সবজির বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা নেই। পটোল বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, কাঁকরোল ও করলা ৭০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া আলু ২৫ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম বাড়লেও অন্যান্য সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় সেগুলোর দামে তেমন পরিবর্তন হয়নি।

ক্রেতা সেলিম হোসেন জানান, সবজির দাম সহনীয় থাকলেও কাঁচামরিচের হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি তাদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে। আরেক ক্রেতা নাসরিন আক্তার বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে আসাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে ডিম ও মরিচের দাম বাড়ায় খরচও বেড়েছে, যদিও চালের দাম কিছুটা কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।

ডিমের বাজারেও দাম বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিমের প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে থেকে ১০ টাকা বেশি। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান জানান, খামার পর্যায়ে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে কিছুটা দাম কমেছে। বর্তমানে আটাশ চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা এবং মিনিকেট চাল ৭২ থেকে ৭৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পোলাওয়ের চালের দাম কিছুটা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে পৌঁছেছে।

এদিকে মাছের বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। চাষের পাঙাশ ২২০ টাকা, কৈ ২০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং কাতলা ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category