দেশে যক্ষ্মা (টিবি) নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গত বছরের শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যক্ষ্মা রোগী শনাক্তের হার গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পাশাপাশি দেশের read more
তীব্র গরমে ঘাম ও জীবাণুর সংক্রমণে ত্বকের চুলকানি একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই সাময়িক আরামের জন্য পাউডার ব্যবহার করলেও এটি স্থায়ী সমাধান দেয় না। তবে রান্নাঘর বা হাতের কাছে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে হাসপাতালে তাদের অবস্থানের সময়কাল। চিকিৎসকদের মতে, যেসব শিশু আগে থেকেই অপুষ্টি বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোগে (যেমন:
দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে হাম। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য
আজ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’। এ বছর দিবসটির বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে: “Together for health. Stand with science”। এরই সাথে সংগতি
সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও রোগ শনাক্তকরণের পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে আছে মাত্র একটি ল্যাবে। ঢাকার জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (IPH) ওপর পুরো দেশের নির্ভরতা একদিকে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় ২০২৬ সালের মধ্যেই এই রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে হামজনিত শিশুমৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।