দেশের বিদ্যুৎ খাত এক নজিরবিহীন আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা বকেয়া বিলের পরিমাণ এবার ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। এই বিপুল পরিমাণ
দীর্ঘ উত্তেজনার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ঘটেছে। এক রাতের ব্যবধানে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি গড়ে ১৫-১৬ শতাংশ পর্যন্ত
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল কোম্পানির কর্মকর্তাদের মদদে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন জ্বালানি তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী এবং
দেশজুড়ে যখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই জাতীয় গ্রিডের বিশাল একটি অংশ ‘চুরি’ করে নিচ্ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর তথ্যমতে, প্রতিদিন
দেশজুড়ে যখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই জাতীয় গ্রিডের বিশাল একটি অংশ ‘চুরি’ করে নিচ্ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর তথ্যমতে, প্রতিদিন
ভোর চারটায় যখন পুরো শহর ঘুমে বিভোর, তখন এক বুক আশা নিয়ে মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কার নিয়ে বের হন হাজার হাজার রাইড শেয়ারিং চালক। কিন্তু সেই আশা এখন রূপ নিয়েছে