মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত মার্কিন অবরোধ কেবল তেহরানের নিজস্ব নৌযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং বিশ্বের যেকোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম সমানভাবে কার্যকর read more
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে অবরুদ্ধ করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। ওয়াশিংটনের ঘোষণা অনুযায়ী, ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজকেই এখন
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালিতে একটি সুপরিকল্পিত নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। নর্থ ক্যারোলাইনার ক্যাম্পবেল ইউনিভার্সিটির সামুদ্রিক ইতিহাসবিদ সালভাতোর মার্কোগ্লিয়ানো সতর্ক করেছেন যে, এই অবরোধ বাস্তবায়িত হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি
ইরানের সামরিক সক্ষমতা মোকাবিলায় পশ্চিমা জোটে ফাটল স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে কৌশলগত বড় ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক
ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীর গতিপথ বদলে দিতে কখনো কখনো একজন মানুষের জেদ, অহংকার বা অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তই যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পৃথিবী বহু স্নায়ুযুদ্ধ, আঞ্চলিক সংঘাত এবং অর্থনৈতিক মন্দা
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই ভেস্তে যাওয়ার পর এবার হরমুজ প্রণালি নিয়ে চরম কঠোর অবস্থানে গেল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক আগ্রাসনের ছক কষতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ