যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে এর জবাবে তেহরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর প্রতিশোধমূলক আঘাত হানতে পারে, এমন সতর্কতা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তবে স্থানীয় সময় read more
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে নিয়ে ধোঁয়াশা ও উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। ইসরায়েলি বিমান হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর, অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে তাকে চিকিৎসার জন্য রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে সরিয়ে নেওয়া
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১৬তম দিনে এসে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে যোগ হলো নতুন এক বিধ্বংসী মাত্রা। প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে নিজেদের হাতে তৈরি অত্যন্ত শক্তিশালী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র
যুদ্ধ চলছে মধ্যপ্রাচ্যে, কিন্তু খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই যেন শুরু হয়েছে আরেক যুদ্ধ— সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত নিয়ে কোনো সংবাদমাধ্যম যদি মার্কিন প্রশাসনের সমালোচনা করে বা ‘নেতিবাচক’
মধ্যপ্রাচ্যের দুই পরাশক্তি—ইরান এবং সৌদি আরব। এদের মধ্যকার বৈরিতা শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা টানা ১৭ দিনে গড়িয়েছে (১৬ মার্চ পর্যন্ত)। প্রথমদিকে এই হামলার নেপথ্যে ঠিক কারা কাজ করছে তা নিয়ে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে ওয়াশিংটনকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ইরান। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, ট্রাম্প
যুদ্ধ সাধারণত ধ্বংস ডেকে আনে—দেশ ভাগে, মানুষ মরে, অর্থনীতি ভেঙে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ থমকে যায়। ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলে দেখা যায়, যুদ্ধের কেন্দ্রে থাকা দেশগুলোর ক্ষতিই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু