ভেনিজুয়েলা থেকে ইরান—বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সুর যখন তীব্র, তখন প্রশ্ন উঠেছে ওয়াশিংটনের পরবর্তী টার্গেট কে? সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভূরাজনীতির পরবর্তী বড় রণাঙ্গন হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার। দেশটির read more
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের মধ্যে এবার রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মন্তব্য করেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্ভবত তেহরানের ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সম্পর্কে তথ্য পেতে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত বিশাল পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মসূচি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন তাদের অস্ত্রভাণ্ডার “অফুরান”, অন্যদিকে ইরান দাবি করছে তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ওয়াশিংটনের ধারণার চেয়েও বেশি। কিন্তু রণক্ষেত্রের বাস্তব তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। দুই পক্ষই যে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা সংরক্ষণবাদী বাণিজ্য নীতির কবলে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৬.১৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকার কারণে এবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)-এর তদন্তের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন তাদের অস্ত্রভাণ্ডার “অফুরান”, অন্যদিকে ইরান দাবি করছে তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ওয়াশিংটনের ধারণার চেয়েও বেশি। কিন্তু রণক্ষেত্রের বাস্তব তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। দুই পক্ষই যে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ এখন চূড়ান্ত উত্তেজনায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের চলমান সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র অধীনে ইরানে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, ইরাকের
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন যুদ্ধের কালো মেঘে ঢাকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েল এই অঞ্চলে যে কৌশলী যুদ্ধংদেহী অবস্থান নিয়েছে, তাকে অনেকেই ‘আগুন নিয়ে খেলা’ হিসেবে দেখছেন।