• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
/ আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন নতুন এক ভয়াবহ মোড় নিচ্ছে। দক্ষিণ লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযানের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি রণপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। মঙ্গলবার জেনারেল স্টাফ read more
ভূ-রাজনৈতিকভাবে বিশ্বের অন্যতম স্পর্শকাতর জলপথ হরমুজ প্রণালিতে এবার রহস্যজনকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন। ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ (MQ-4C Triton) মডেলের এই ড্রোনটির বাজারমূল্য প্রায় ২৪ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র
টানা পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এক ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে গত ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভেবেছিল,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির মধ্যে একসময়কার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্রতায় এবার প্রকাশ্যেই বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত মার্কিন অবরোধ কেবল তেহরানের নিজস্ব নৌযানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং বিশ্বের যেকোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম সমানভাবে কার্যকর
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতার পর ২০২৬ সালে এসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এক অলিখিত যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী, সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর চেয়ে ‘অর্থনৈতিক
১৪ দিনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ফের সংলাপে বসতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইসলামাবাদে গত ১১ এপ্রিলের বৈঠক ব্যর্থ হলেও দুই পক্ষই কূটনৈতিক চ্যানেল খোলা রাখার বিষয়ে একমত
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে অবরুদ্ধ করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। ওয়াশিংটনের ঘোষণা অনুযায়ী, ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজকেই এখন