বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানির পশু উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে এবং দেশীয় খামারিদের উৎপাদন দিয়েই দেশের সার্বিক চাহিদা মেটানো সম্ভব। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) আয়োজিত এক বিশেষ read more
বোরো মৌসুমের শুরুতে স্বপ্ন ছিল ভালো ফলনের। ঋণ করে, জমি বন্ধক রেখে, সংসারের শেষ সঞ্চয় ঢেলে হাওরের বুকে বীজ বুনেছিলেন কৃষকরা। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে। এক দিকে
আবহাওয়ার চরমভাবাপন্ন আচরণ, নির্বিচারে গাছ কাটা এবং ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণের ফলে বাংলাদেশে বজ্রপাত এখন এক নীরব মহামারিতে পরিণত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য বহুমুখীকরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের
একদিকে তীব্র তাপপ্রবাহের দাবদাহ, অন্যদিকে ভয়াবহ লোডশেডিং এবং দেশব্যাপী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা তীব্র জ্বালানি সংকট—সব মিলিয়ে দেশের কৃষি খাতে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিশেষ করে চলতি
রাস্তাঘাটে চলতে-ফিরতে হঠাৎ করেই ধেয়ে আসছে বেওয়ারিশ কুকুর। হাতের খাবার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা থেকে শুরু করে বিনা প্ররোচনায় ঝাঁপিয়ে পড়ছে পথচারী ও শিশুদের ওপর। রাজধানীতে কুকুরের কামড় ও আঁচড়ে আহত
দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে বোরো মৌসুম থেকে। এই ধান কাটার মৌসুম মানেই গ্রামবাংলায় একসময় উৎসবের আমেজ বিরাজ করত। তবে এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। উৎসবের বদলে কৃষকের
ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল এবার সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে প্রান্তিক কৃষকের দোরগোড়ায়। দেশের কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুসংগঠিত করতে নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল, মঙ্গলবার)