• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
নথিতে ‘রেকর্ড মজুত’, বাস্তবে হাহাকার বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ, দেশে বাড়ানো হয়েছে ‘সামান্য’: জ্বালানিমন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার করলেন অস্ত্র সরবরাহকারী হেলাল হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাবঞ্চিত শিশুর ভবিষ্যৎ: দায় কার? বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম শঙ্কা: জ্বালানি ও যন্ত্রপাতির অভাবে চতুর্মুখী সংকটে কৃষক সংসদের নিয়মে এখনো অভ্যস্ত নন নতুন এমপিরা, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ছন্দ অফিসে আপনার কাজ সামলাবে আপনারই ‘ডিজিটাল যমজ’ দেশের কোটি কোটি ডলার পাচার! : কারা খেলল এই ভয়ংকর খেলা — আর কীভাবে ফিরবে সেই সম্পদ? ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২১২ টাকা জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ল

ইরানকে সামরিকভাবে পঙ্গু করতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যৌথ সামরিক অভিযান টানা ১৮ দিনে গড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পর্যন্ত চলমান এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে এই দেশগুলো ইরানে হামলার পক্ষে ওয়াশিংটনকে কোনো আহ্বান না জানালেও, এখন তারা মাঝপথে যুদ্ধ না থামানোর জোর তাগিদ দিচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া তিনটি উপসাগরীয় সূত্রের তথ্যমতে, আরব দেশগুলোর বর্তমান চাওয়া হলো— উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল সরবরাহের মূল পথ এবং এর ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতিগুলোর জন্য ইরান যেন আর কখনোই হুমকি হয়ে ওঠার সক্ষমতা না রাখে, তা নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে, এই সংঘাতে আরব দেশগুলোকেও সরাসরি যুক্ত করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। পাঁচটি পশ্চিমা ও আরব কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, উপসাগরীয় দেশগুলো যেন ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে সরাসরি যোগ দেয়, সেজন্য ওয়াশিংটন তাদের ওপর পাল্টা চাপ প্রয়োগ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত দেখাতে চাইছেন যে এই সামরিক অভিযানের পক্ষে শক্তিশালী আঞ্চলিক সমর্থন রয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে হামলার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও সমর্থন পোক্ত করতে চাইছেন।

সৌদি আরবভিত্তিক গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আব্দুলআজিজ সাগের জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে এখন এই ধারণা প্রবলভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, ইরান উপসাগরীয় প্রতিটি দেশের ক্ষেত্রে সমস্ত ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান প্রথমদিকে কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেই পাল্টা আঘাত হানছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তেহরান তাদের আক্রমণের পরিধি বাড়িয়ে উপসাগরীয় ছয়টি দেশের প্রধান প্রধান বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও পরিবহন খাতে ব্যাপক মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।

বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় ইরানের এই আকস্মিক ও ধারাবাহিক হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে চরম মাত্রায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আরব মিত্রদের গভীর আশঙ্কা, ইরানের হাতে যদি শক্তিশালী আক্রমণাত্মক অস্ত্র এবং তা তৈরির সক্ষমতা থেকে যায়, তবে ভবিষ্যতে যেকোনো উত্তেজনার সময় তেহরান এই অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোকে পুরোপুরি জিম্মি করে ফেলতে পারে। মূলত এই অস্তিত্বের সংকট ও ভীতি থেকেই আরব দেশগুলো এখন চাইছে, সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে ইরানকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category