• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
নথিতে ‘রেকর্ড মজুত’, বাস্তবে হাহাকার বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ, দেশে বাড়ানো হয়েছে ‘সামান্য’: জ্বালানিমন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার করলেন অস্ত্র সরবরাহকারী হেলাল হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাবঞ্চিত শিশুর ভবিষ্যৎ: দায় কার? বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম শঙ্কা: জ্বালানি ও যন্ত্রপাতির অভাবে চতুর্মুখী সংকটে কৃষক সংসদের নিয়মে এখনো অভ্যস্ত নন নতুন এমপিরা, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ছন্দ অফিসে আপনার কাজ সামলাবে আপনারই ‘ডিজিটাল যমজ’ দেশের কোটি কোটি ডলার পাচার! : কারা খেলল এই ভয়ংকর খেলা — আর কীভাবে ফিরবে সেই সম্পদ? ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২১২ টাকা জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ল

অফিসে আপনার কাজ সামলাবে আপনারই ‘ডিজিটাল যমজ’

Reporter Name / ৩ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনার মনে করছে, খুব শিগগিরই জ্ঞানভিত্তিক কর্মীদের ডিজিটাল প্রতিরূপ মূলধারায় চলে আসবে। মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও নিজের একটি এআই সংস্করণ তৈরির কাজ করছেন, যা এই ধারণাকে আরও প্রতিষ্ঠিত করবে।

মালিকানা কার এবং আইনি জটিলতা কোথায়?

এই প্রযুক্তি যতটা সম্ভাবনার দরজা খুলছে, ততটাই নৈতিক ও আইনি প্রশ্নও সামনে আনছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—একটি ডিজিটাল টুইনের আসল মালিক কে? কর্মী নাকি প্রতিষ্ঠান? কোনো ভুলের দায়ভার কে নেবে?

রিচার্ড স্কেলেটের মতে, একজন কর্মীরই তাঁর ডিজিটাল টুইনের মালিক হওয়া উচিত এবং প্রতিষ্ঠান সেটি ব্যবহারের জন্য কর্মীকে অর্থ দেবে। ডিজিটাল টুইনের সাহায্যে কর্মীর উৎপাদনশীলতা বাড়লে তাঁর আয়ও বাড়বে।

তবে বিপরীত মত পোষণ করেন গার্টনার এইচআরের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান কেইলিন লমাস্টার। তিনি মনে করেন, বেশিরভাগ দেশের আইন অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে তৈরি হওয়া ডেটা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে তিনি স্বীকার করেন, এই প্রযুক্তি একজন মানুষকে ‘সুপারওয়ার্কার’-এ পরিণত করতে পারে। তাঁর প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল টুইনের কারণে প্রবৃদ্ধি ৩০ শতাংশ বাড়লেও নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে হচ্ছে খুব কম।

আইনজীবীদের সতর্কতা

ব্রিটিশ আইনজীবী অঞ্জলি মালিক সতর্ক করে বলেছেন, এটি কর্মসংস্থানের মৌলিক কাঠামোকেই নাড়িয়ে দিচ্ছে। একজন ব্যক্তির ইমেইল, মিটিং ও ব্যক্তিগত কাজের তথ্য দিয়ে এআই তৈরি করা হলে তা সরাসরি গোপনীয়তা, সম্মতি এবং শ্রম আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

সব মিলিয়ে, “ডিজিটাল মি” বা ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তি একদিকে যেমন কর্মজগতকে আরও দ্রুত ও উৎপাদনশীল করে তুলছে, অন্যদিকে স্পষ্ট নীতিমালার অভাবে এটি প্রতিষ্ঠান ও কর্মী—উভয়ের জন্যই বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সঠিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা গেলে এটি হয়তো ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন হতে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category